Loading...

আল্লাহর পরিচয়, মানুষের মর্যাদা ও তাঁর গুণাবলির প্রতিফলন

আল্লাহর পরিচয়, মানুষের মর্যাদা ও তাঁর গুণাবলির প্রতিফলন
Advertisement
Advertisement — Place AdSense Code Here
Table of Contents
    আধ্যাত্মিক আলোকময় মানব সিলুয়েট, সুফি থিম, আল্লাহর গুণাবলির প্রতীকী প্রতিফলন

    আল্লাহর নাম ও গুণাবলি: মানুষের মধ্যে তাঁর প্রতিফলনের গভীর তাৎপর্য

    আল্লামা মুশাহিদ বায়মপুরী রাহি.

    "আল্লাহ" সৃষ্টিজগতের স্রষ্টা, সমগ্র জগতের প্রতিপালক, পরম দয়ালু ও অসীম করুণাময়ের মহান নাম। এ নামটিই আল্লাহর পবিত্র সত্তার প্রকৃত পরিচায়ক। আর অন্যান্য নাম তাঁর বিভিন্ন গুণ, বৈশিষ্ট্য ও পরিপূর্ণতার পরিচয় বহন করে। কোনো নাম সত্তাগত গুণাবলির পরিচয় দেয়, আবার কোনো নাম তাঁর কর্ম ও কার্যাবলির প্রকাশ ঘটায়। আল্লাহর গুণাবলি যেহেতু অসীম ও অগণিত, তাই তাঁর اسماء حسنیٰ (সুন্দরতম নামসমূহ)-ও অসীম। আর এসব নামের যে বহুবিধ প্রকাশ আমরা সৃষ্টিজগৎ বা বিশ্বজগতে দেখতে পাই, তারও কোনো শেষ নেই। আল্লাহ তাআলার اسماء حسنیٰ (সুন্দরতম নামসমূহ) প্রধানত দুই শ্রেণিতে বিভক্ত। প্রথম শ্রেণি হলো اسماء جمالی (অনুগ্রহ ও সৌন্দর্যের নামসমূহ)। এসব নামের পূর্ণতম প্রকাশ দেখা যায় জান্নাতে। তাই জান্নাতকে রহমতের আবাস, শান্তির নিবাস এবং আলোর রাজ্য বলা হয়। দ্বিতীয় শ্রেণি হলো اسماء جلالی (মহিমা ও প্রতাপের নামসমূহ)। এসব নামের পূর্ণতম প্রকাশ দেখা যায় জাহান্নামে। তাই তা শাস্তি ও প্রতিফলনের স্থান হিসেবে পরিচিত।

    সৃষ্টির বিশাল পরিসরে—উর্ধ্বজগত ও নিম্নজগতের অসংখ্য প্রাণী ও সত্তার মধ্যে—মানুষই এমন এক সৃষ্টি, যার মধ্যে আল্লাহর জালাল (মহিমা) ও জামাল (সৌন্দর্য)-সম্পর্কিত গুণাবলির সর্বাধিক প্রতিফলন দেখা যায়। মানুষের মধ্যেই তাঁর সত্তাগত ও কর্মগত গুণাবলির প্রতিচ্ছবি সবচেয়ে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

    এই অর্থেই রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

    «خلق الله آدم على صورته»

    “আল্লাহ আদমকে তাঁর সুরতের উপর সৃষ্টি করেছেন।” (সহীহ আল-বুখারী, হাদিস ৬২২৭; সহীহ মুসলিম, হাদিস ২৮৪১)

    অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা আদম আলাইহিস সালামের মধ্যে তাঁর গুণাবলির প্রতিফলন ও প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এর দ্বারা কোনো দেহগত সাদৃশ্য বা আকৃতিগত মিল বোঝানো হয়নি। বরং এখানে সেই বিশেষ সম্মান ও সম্পর্কের কথা বোঝানো হয়েছে, যেরূপ সম্মানসূচক সম্বন্ধ কুরআনে ‘বাইতুল্লাহ’ (আল্লাহর ঘর) এবং ‘রূহুল্লাহ’ (আল্লাহর পক্ষ থেকে রূহ) শব্দগুলোর ক্ষেত্রে দেখা যায়।

    আল্লাহ তাআলা বলেন,

    ﴿إِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَائِكَةِ إِنِّي خَالِقٌ بَشَرًا مِنْ طِينٍ ۝ فَإِذَا سَوَّيْتُهُ وَنَفَخْتُ فِيهِ مِنْ رُوحِي فَقَعُوا لَهُ سَاجِدِينَ﴾

    “যখন তোমার প্রতিপালক ফেরেশতাদের বললেন, ‘আমি মাটি থেকে একজন মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি। অতঃপর যখন আমি তাকে সুগঠিত করব এবং তার মধ্যে আমার পক্ষ থেকে রূহ সঞ্চার করব, তখন তোমরা তার সামনে সিজদাবনত হয়ে পড়বে।’” (সূরা সাদ ৩৮:৭১–৭২; একই বক্তব্য সূরা আল-হিজর ১৫:২৮–২৯)

    অতএব, ‘আদমকে তাঁর সুরতের উপর সৃষ্টি করেছেন’—এই হাদিসের অর্থ হলো, আল্লাহ তাআলা আদমকে এমন এক বিশেষ মর্যাদা দান করেছেন, যার মধ্যে তাঁর গুণাবলির প্রতিফলন প্রকাশিত হয়েছে। এখানে কোনো প্রকার শারীরিক সাদৃশ্যের কথা বলা হয়নি; বরং সম্মান, নৈকট্য ও বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কথাই বোঝানো হয়েছে।

    মানুষের দুই পথ: অহংকারের অধঃপতন ও আল্লাহমুখী আত্মসমর্পণ

    মানুষই সেই সৃষ্টি, যার কিছু ব্যক্তি অহংকার, ঔদ্ধত্য ও আত্মমুগ্ধতার নেশায় ডুবে গিয়ে ফেরাউনের মতো «أَنَا رَبُّكُمُ الْأَعْلَى»—“আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক” (সূরা আন-নাযিআত ৭৯:২৪) —এই দাবির প্রতিধ্বনি পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেয়। পরিণামে আখিরাতে তারা জাহান্নামের নেতৃস্থানীয় অধিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

    আবার মানুষের মধ্যেই এমন লোক রয়েছে, যারা কখনো আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়—এই সত্যের ধ্যানে এত গভীরভাবে নিমগ্ন হয়ে পড়ে যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোনো কিছুর অস্তিত্ব যেন তাদের দৃষ্টিতে গুরুত্ব পায় না। কখনো তারা তাঁর উলূহিয়্যাত (উপাস্যত্ব) ও মহব্বতের আকর্ষণে এমনভাবে আবিষ্ট হয়ে যায় যে, দিনরাত তাঁর ইবাদতে মগ্ন থাকে এবং তাঁর সন্তুষ্টি লাভের জন্য নিজের জীবন, দেহ ও সম্পদ—সবকিছু উৎসর্গ করে দিতে প্রস্তুত থাকে।

    তারা সেই সব বিশ্বাস, চরিত্র ও কর্ম থেকে নিজেদের দূরে রাখে, যা তাদের প্রকৃত প্রিয়তমের নিকট অপছন্দনীয়। শুধু দূরে থাকাই নয়, নিজেদের অন্তরকে সেসব থেকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টাও অব্যাহত রাখে। পক্ষান্তরে যেসব বিশ্বাস, চরিত্র ও কর্ম তাদের প্রকৃত প্রিয়তমের নিকট প্রিয় ও গ্রহণযোগ্য, তারা সেগুলোকে নিজেদের মধ্যে সযত্নে গড়ে তুলতে থাকে।

    ক্রমে আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা ও তাঁর মহিমাবোধ এমনভাবে তাদের সত্তার সঙ্গে মিশে যায় যে, তা তাদের প্রাণের প্রাণ এবং আত্মার আত্মা হয়ে ওঠে। আল্লাহু আহাদ (الله أحد — আল্লাহ একক, অদ্বিতীয়)–এর সঙ্গে মানুষের ভেতরে এমন এক প্রেমমিশ্রিত শ্রদ্ধা ও গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা ধীরে ধীরে তার সমগ্র সত্তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে।

    এই সম্পর্ক কোনো বাহ্যিক চাপ নয়; বরং এমন এক স্বতঃস্ফূর্ত অবস্থান, যেখানে মানুষ সর্বত্র আল্লাহর সান্নিধ্য অনুভব করে। সে যেখানে থাকুক—মসজিদে, বাজারে, জঙ্গলে বা ঘরে—নিজেকে আল্লাহর উপস্থিতি থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করে না। কুরআনে বলা হয়েছে,

    وَهُوَ مَعَكُمْ أَيْنَمَا كُنتُمْ

    তোমরা যেখানেই থাকো, তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন।” (সুরা হাদীদ: 57:4)

    এই অবস্থায় সে আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো কিছুকে চূড়ান্ত মনোযোগের যোগ্য মনে করে না। তার সব কাজ একক উদ্দেশ্যের দিকে ফিরে যায়। যদি দেখে, আল্লাহর জন্য দেখে; যদি শোনে, আল্লাহর জন্য শোনে; যদি বলে, আল্লাহর জন্য বলে; যদি চলে, আল্লাহর জন্য চলে; যদি নেয়, আল্লাহর জন্য নেয়; যদি দেয়, আল্লাহর জন্য দেয়; যদি না দেয়, তবুও আল্লাহর জন্য; যদি ভালোবাসে, আল্লাহর জন্য ভালোবাসে; আর যদি ঘৃণাও করে, তাও আল্লাহর জন্যই করে।

    নবী ﷺ বলেছেন:

    مَنْ أَحَبَّ لِلَّهِ وَأَبْغَضَ لِلَّهِ وَأَعْطَى لِلَّهِ وَمَنَعَ لِلَّهِ فَقَدِ اسْتَكْمَلَ الْإِيمَانَ

    “যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য ভালোবাসে, আল্লাহর জন্য ঘৃণা করে, আল্লাহর জন্য দান করে এবং আল্লাহর জন্য বিরত থাকে—সে তার ঈমানকে পূর্ণ করেছে।”

    (সুনান আবু দাউদ, কিতাবুস সুন্নাহ, হাদিস: 4681)

    আরও এসেছে:

    وَمَا يَزَالُ عَبْدِي يَتَقَرَّبُ إِلَيَّ بِالنَّوَافِلِ حَتَّى أُحِبَّهُ، فَإِذَا أَحْبَبْتُهُ كُنْتُ سَمْعَهُ الَّذِي يَسْمَعُ بِهِ وَبَصَرَهُ الَّذِي يُبْصِرُ بِهِ

    “আমার বান্দা নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমার নিকটবর্তী হতে থাকে, এমনকি আমি তাকে ভালোবাসি। যখন আমি তাকে ভালোবাসি, তখন আমি তার শ্রবণ হয়ে যাই যার দ্বারা সে শোনে, এবং তার দৃষ্টি হয়ে যাই যার দ্বারা সে দেখে…”

    (সহিহ বুখারি, কিতাবুর রিকাক, হাদিস: 6502)

    সারকথা এই যে, বান্দা তার মাওলার হয়ে যায়, আর মাওলাও তার হয়ে যান। তখন করীম, রহমান ও রহীম মাওলা তার প্রতি বিশেষ অনুগ্রহ ও ভালোবাসার দৃষ্টি নিক্ষেপ করেন। তিনি তার অন্তরের দুয়ার উন্মুক্ত করে দেন এবং তার হৃদয়কে নিজের اسماء حسنیٰ (সুন্দরতম নামসমূহের) تجلّی (ঐশী জ্যোতি প্রকাশের) বিশেষ কেন্দ্রস্থলে পরিণত করেন। ফলে সে তার محبوبِ حقیقی (প্রকৃত প্রিয়তমকে) অন্তর্দৃষ্টির চোখে নিরন্তর অবলোকন করতে থাকে।

    মহাকবি হাফিজ বলেন—

    حضوری گر ہمی خواہی ازو غائب مشو حافظ
    متیٰ تلقی من تہوی دع الدنیا وامہلہا

    হে হাফিজ! যদি তুমি প্রিয়তমের সান্নিধ্য কামনা কর, তবে কখনো তাঁর থেকে গাফিল হয়ো না। যখন তোমার প্রিয়জনের সাক্ষাৎ লাভ করবে, তখন দুনিয়াকে ছেড়ে দাও এবং গুরুত্বহীন মনে করো।

    আল্লাহর সান্নিধ্যের জান্নাত: দুনিয়া থেকে আখিরাত

    প্রকৃত প্রিয়তমের ভালোবাসা ও উপস্থিতি যখন তার হৃদয়ের উপর পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করে, তখন আল্লাহর اسماء حسنیٰ (সুন্দরতম নামসমূহের) বিচিত্র تجلّیات (ঐশী জ্যোতি প্রকাশসমূহ) এবং তাঁর وصال (মিলনের) ও مشاہدہ (প্রত্যক্ষ দর্শনের) বরকতে সে এমন গভীর প্রশান্তি, স্থিরতা ও হৃদয়ের শান্তি লাভ করে যে, ইবাদতের মাধুর্য এবং প্রিয়তমের সন্তুষ্টি অর্জনের আনন্দ সর্বদা অনুভব করতে থাকে।

    তখন দুনিয়াই যেন তার জন্য প্রশান্তি ও সুকুনের এক জান্নাতে পরিণত হয়। نسیمِ اُنس باللہ (আল্লাহর সঙ্গে অন্তরঙ্গতার সমীরণ) তার সামনে

    فَرَوْحٌ وَرَيْحَانٌ وَجَنَّتُ نَعِيمٍ

    —এর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপস্থিত করে।

    "তখন তার জন্য রয়েছে প্রশান্তি, সুগন্ধিময় অনুগ্রহ এবং নেয়ামতে ভরা জান্নাত।"

    — সূরা আল-ওয়াকিআহ, ৫৬:৮৯

    "পাস আজ সি সাল ইন মানি মুহাক্কাক শুদ খাকানী,
    কে ইয়াকদাম বা খুদা বুদান বেহ আজ তাখ্‌তে সুলাইমানী।"

    অর্থাৎ,

    ত্রিশ বছরের সাধনা ও অভিজ্ঞতার পর খাকানী উপলব্ধি করলেন—আল্লাহর সান্নিধ্যে কাটানো একটি মুহূর্তও হযরত সুলাইমান (আ.)-এর রাজসিংহাসনের চেয়ে অধিক মূল্যবান।

    হাফিজ ইবনুল কাইয়্যিম ও ইবনু তাইমিয়্যাহ রাহি. অত্যন্ত সুন্দর একটি কথা বলেছেন—

    للمؤمنين جنتان، جنة في الدنيا وجنة في الآخرة، فمن لم يدخل جنة الدنيا لم يدخل جنة الآخرة

    অর্থাৎ,

    “মুমিনদের জন্য দুটি জান্নাত রয়েছে—একটি দুনিয়ায়, অপরটি আখিরাতে। যে ব্যক্তি দুনিয়ার জান্নাতে প্রবেশ করতে পারেনি, সে আখিরাতের জান্নাতেও প্রবেশ করতে পারবে না।”

    দুনিয়ার জান্নাত বলতে বোঝানো হয়েছে—আল্লাহর عبودیت (বান্দেগিতে) নিমগ্ন হয়ে যাওয়া, তাঁর توحید (একত্ববাদের) প্রেমে আত্মহারা হওয়া, তাঁর اسماء حسنیٰ (সুন্দরতম নামসমূহের) تجلّیات (ঐশী জ্যোতি প্রকাশসমূহ) প্রত্যক্ষ করা, এবং সেই সঙ্গে হৃদয়ের গভীরে প্রশান্তি, স্থিরতা ও اُنس باللہ (আল্লাহর সঙ্গে অন্তরঙ্গতা) লাভ করা।

    আর আখিরাতের জান্নাত হলো—তাঁর মেহমানখানায় পৌঁছে তাঁর دیدار (দর্শন) লাভ করা এবং তাঁর কালাম শ্রবণের সৌভাগ্যে ধন্য হওয়া।

    আল্লাহ তাআলা বলেন—

    يَا أَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ ۝ ارْجِعِي إِلَىٰ رَبِّكِ رَاضِيَةً مَرْضِيَّةً ۝ فَادْخُلِي فِي عِبَادِي ۝ وَادْخُلِي جَنَّتِي

    “হে প্রশান্ত আত্মা! তুমি তোমার প্রতিপালকের দিকে ফিরে এসো, এমন অবস্থায় যে তুমি তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট এবং তিনিও তোমার প্রতি সন্তুষ্ট। অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ করো।”

    — সূরা আল-ফাজর, ৮৯:২৭–৩০

    আরও ইরশাদ হয়েছে—

    إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَنَهَرٍ ۝ فِي مَقْعَدِ صِدْقٍ عِنْدَ مَلِيكٍ مُقْتَدِرٍ

    “নিশ্চয়ই মুত্তাকিরা থাকবে উদ্যানরাজি ও প্রবহমান নহরসমূহের মধ্যে; সত্য ও মর্যাদার আসনে, পরাক্রমশালী মহাসম্রাটের সান্নিধ্যে।”

    — সূরা আল-কামার, ৫৪:৫৪–৫৫

    ইমাম আবু হামিদ আল-গাযালী রাহি. বলেন—

    ولو لم يكن للمطيع جزاء على عمله إلا ما يجده من حلاوة الطاعة وروح الأنس بمناجاة الله تعالى لكان ذلك كافياً له

    অর্থাৎ,

    “আনুগত্যশীল বান্দা তার আমলের বিনিময়ে যদি আর কোনো প্রতিদান না-ও পেত, শুধু ইবাদতের মাধুর্য এবং আল্লাহ তাআলার সঙ্গে মুনাজাতের মাধ্যমে অর্জিত অন্তরঙ্গতার যে প্রশান্তিময় স্বাদ সে অনুভব করে, সেটুকুই তার জন্য যথেষ্ট হতো।”

    — ইতহাফুস সাদাতিল মুত্তাক্বীন ফি শারহে ইহইয়া-ই-উলূমিদ্দীন, খণ্ড ৮, পৃষ্ঠা: ১২৯।

    Home

    Sazzad Chowdhury

    Sazzad Chowdhury

    Founder & Editor, House Of Wisdom. An independent Bengali knowledge publication exploring history, philosophy, Islamic intellectual tradition, literature, culture and civilization through references, historical sources and critical analysis.

    Author Profile

    Post a Comment